সংবাদ :
জাতীয় : জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত- বাংলাদেশের আকাশে আজ পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ১০ জুলাই রবিবার সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে ইসলামিক বিশ্ব : আরাফাতে খুতবা দিবেন শায়খ ড. মুহাম্মাদ আবদুল করীম , হজের খুতবা সরাসরি সম্প্রচার হবে বাংলাসহ ১৪ ভাষায় আন্তর্জাতিক : আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় ৩য় স্থান অর্জনকারী সালেহ আহমদ তাকরিমকে সংবর্ধনা প্রদান করল ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন

  • টেক্সট সাইজ
  • A
  • A
  • A
  • |
  • রং
  • C
  • A
  • A
  • A

ঈদ উৎসব
প্রিন্ট
প্রকাশঃ : বৃহস্পতিবার ২১/০৬/২০১৮

ঈদ মুসলমানদের জাতীয় উৎসব। বিশ্বের সব দেশের ও সব পেশার মুসলমানের সমান অধিকার আছে ঈদের আনন্দ উপভোগের। নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের জন্য ঈদের আনন্দ সীমাবদ্ধ নয়। কিছু লোকের একক আধিপত্যও নেই ঈদের উৎসবে। সব মুসলমান ঈদের আনন্দ উপভোগ করে থাকেন নিজস্বভাবে। ধনীর অট্টালিকায় ও দরিদ্রের জীর্ণ কুটিরে ঈদের আনন্দ প্রবাহিত হয় সমভাবে। কালের পরিক্রমায় প্রতি বছর আনন্দ ও খুশির বার্তা নিয়ে এ উৎসবের আগমন ঘটে। মুসলমানদের মহাসম্মিলন ঘটে পুণ্যময় ঈদ উৎসবে। জেলে-কুমার, তাঁতী-কৃষক, ধোপা-মুচি কোন ভেদাভেদ নাই এ মহাসম্মিলনে। ধনী-গরিব, রাজা-প্রজা সব মুসলমানই সমবেত হয় ঈদের ময়দানে। এক কাতারে সারিবদ্ধ হয়ে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে অবনত মস্তকে। হাতে হাত, বুকে বুক রেখে পরস্পর কোলাকুলি করে পরম মমতা নিয়ে। পুরনো দিনের হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে মুসলমানরা পরস্পরে আবদ্ধ হন ভালবাসার বন্ধনে। ঐক্য, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুসংহত হয় ঈদের উৎসবে।

ঈদ উৎসবের সূচনা হয় হিজরী দ্বিতীয় সন অর্থাৎ মহানবি হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের দ্বিতীয় বছর থেকে। জাহেলিয়া যুগে আরবের মক্কায় ‘উকাজ মেলা’ এবং মদিনায় ‘নীরোজ’ ও ‘মিহিরগান’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো। আর সে সব অনুষ্ঠানে অশ্লীল আনন্দ-উল্লাস করা হতো। মদিনায় আগমনের পর মহানবী সা. এসব ক্ষতিকর ও অশ্লীল বিনোদনমুক্ত মুসলমানদের জন্য আলাদা আনন্দ-উৎসবের প্রয়োজন মনে করলেন। এ জন্য তিনি মুসলমানদের নির্মল আনন্দ উৎসব করতে বছরে দু‘টি ঈদ উৎসবের প্রর্বতন করেন। একটি ‘ঈদুল ফিতর’ বা রোজার ঈদ অন্যটি ‘ঈদুল আজহা’ বা কুরবানির ঈদ। রমজান মাসের দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর সাওয়াল মাসের পয়লা তারিখে উদযাপন করা হয় ‘ঈদুল ফিতর’ এবং জিলহাজ মাসের দশ তারিখে পালন করা হয় ‘ঈদুল আজহা’। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মুসলমানদের ধৈর্য-ত্যাগ ও নৈতিক-আধ্যাত্মিক উন্নতি সাধিত হয়। এতে তাদের মনে এক স্বর্গীয় সুখ-আনন্দ বিরাজ করে। এ মহান সুখানুভূতি উৎসবে রূপ লাভ করে পবিত্র ঈদুল ফিতরে। অনুরূপভাবে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে মানুষের পরিবর্তে পশু কুরবানি করার বিধান করায় মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশিত হয় পবিত্র ঈদুল আজহার উৎসবে। 


ঈদ উৎসবের প্রধান বিষয় ঈদগাহে বা ঈদের ময়দানে জামাতে নামাজ আদায়। অর্থনৈতিক বৈষম্য, রাজনৈতিক অনৈক্য, সামাজিক অবস্থানের ভিন্নতা সত্ত্বেও ঈদের দিনে সব মুসলমান একত্রিত হয়ে মহান আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করে জামায়াতে নামাজের মাধ্যমে। আল্লাহর গুণকীর্তন ও রাসূলের ওপর দরুদ পড়া হয় ঈদের খুতবাতে। মুসলমানদের করণীয়-বর্জনীয় বিষয়েও দিকনিদের্শনা দেয়া হয় তাতে। আর সমবেত কণ্ঠের ‘আল্লাহ আকবর’ ধ্বনীতে ঈদের ময়দান মুখরিত হয়ে ওঠে। পুরনো সব হিংসা-বিদ্বেষ দূরীভূত হয়ে যায় ঈদের কোলাকুলিতে। এ ছাড়া মুসলমানসহ সমগ্র বিশ্বের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে বিনম্র প্রার্থনা করা হয় ঈদের মুনাজাতে। প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর কাছে সমবেতভাবে আত্মসমর্পণ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ পায় ঈদের আনন্দ উৎসবে।


ঈদের উৎসবে স্থানীয় সংস্কৃতির গুরুত্ব আছে। ঈদ বিশ্বমুসলিমের জাতীয় উৎসব হলেও এতে স্থানীয় সংস্কৃতিও যোগ হতে পারে। তাই দেখা যায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঈদ উদযাপিত হয় বিভিন্ন সংস্কৃতিতে। বাঙালি মুসলমানরা সকালে সেমাই-পায়েস ও অন্যান্য মিষ্টান্নজাতীয় খাবার খেয়ে ঈদগাহে যান। আর বিকালে বা রাতে গোস্ত-খিচুরি, পোলাও-কোরমা ইত্যাদি মুখরোচক খাবার খান। ঈদের দিন সাধারণত বাঙালি পুরুষ ও ছেলেরা পায়জামা-পাঞ্জাবি এবং নারীরা শাড়ি, সালোয়ার-কামিস পড়েন। অর্থাৎ বাংলাদেশে ঈদ উদযাপিত হয় বাঙালি সংস্কৃতিতে। এমনিভাবে মালেয়শিয়া, আমেরিকা, আফ্রিকা, ইউরোপ, সৌদি আরব ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের মুসলমানরা ঈদ উদযাপন করেন তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিতে। ১৩৯৩ বছর আগে অর্থাৎ ৬২৩ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় ঈদ উৎসবের শুরু হয়ে কালক্রমে পরিবর্তিত হয়ে বর্তমানের রূপ ধারণ করেছে। তবে কালপরিক্রমায়. ভৌগোলিক ব্যবধান ও সাংস্কৃতিক রূপান্তরের কারণে ঈদ উৎসবের ধরণ পরিবর্তিত হলেও এর মৌলিক বিধানাবলি ও মূল চেতনা অপরিবর্তিত আছে।

 
ভাতৃত্ববোধ ও জাতীয় ঐক্য সুসংহত করা ঈদের প্রধান দীক্ষা। সহমর্মিতা-সহানুভূতি জাগ্রত করা ঈদের বিশেষ শিক্ষা। ধনীর পাশাপাশি দরিদ্ররাও যাতে ঈদের আনন্দে অংশ নিতে পারে সে জন্য ধনীদের উপর ‘সদকাতুল ফিতর’ আদায় করা অপরিহার্য। অন্য দিকে এ সদকাতুল ফিতর অসহায় দরিদ্র মুসলমানের জন্য প্রাপ্য। ঈদের মাঠে যাওয়ার আগেই সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। পরিবারের অপ্রাপ্ত বয়স্ক সদস্যদের সদকাতুল ফিতর আদায় করার দায়িত্ব পরিবার প্রধানের। তবে গরিব-অসহায় শিশুদের ঈদের উপহার দেয়া এবং ঈদের আনন্দে অংশীদার করার দায়িত্ব ছোট বন্ধুদের। সদকাতুল ফিতর আদায় ও গ্রহণের মাধ্যমে পরস্পরের প্রতি সহমর্মিতা-সহানুভূতি জাগ্রত হয়। ‘মুসলমান পরস্পর ভাই’ মহান আল্লাহর এ ঘোষণা ঈদের দিনে বিশেষভাবে প্রতিফলিত হয়। ভেদাভেদ ভুলে এক মুসলিম অন্য মুসলিমকে বুকে টেনে নেয় জাতীয় এ আনন্দের দিনে। পারস্পরিক উপহার-শুভেচ্ছা বিনিময় ঈদ উৎসবকে প্রীতিময় করে তোলে। আত্মীয়-স্বজন ও প্রিয়জনকে বিভিন্ন ধরনের উপহার দেয়া হয় ঈদ উপলক্ষে। রাজনীতিবীদ, ব্যবসায়ী, সমাজসেবীসহ বিভিন্ন পেশা ও বিভিন্ন বয়সী মানুষের শুভেচ্ছা বিনিময় বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। সাম্প্রতিককালে ঈদ কার্ড ও মোবাইল ফোনের খুদে বার্তা, ই-মেইল, ফেসবুকের মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় সহজ হয়েছে। ঈদের উৎসব শুধু ভোগের নয় ত্যাগেরও। ভোগে শুধুই সুখ আছে আর ত্যাগে সুখ ও আনন্দ উভয়ই আছে। তাই ঈদের দিনে মুসলমানরা ভোগের সাথে ত্যাগের সাধনাও করেন। তারা আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবশেীসহ সব ধরনের অভাবী মুসলমানকে নিজের অর্জিত সম্পদের অংশ দিয়ে জাতীয় এ আনন্দে সম্পৃক্ত করে থাকেন। জাতীয় এ উৎসবে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে ঈদের আনন্দে সম্পৃক্ত করার জন্য কমবেশি সবাই চেষ্টা করেন। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ দলীয় নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও জনগণকে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে তাদেরকে ঈদের আনন্দে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করেন। ব্যবসায়ীরা নিজেদের ব্যবসায়িক পণ্যের দিকে জনগণকে আকৃষ্ট করার জন্য ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকেন। সমাজের সবাইকে ঈদের আনন্দে সম্পৃক্ত করার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেন সমাজসেবীরা। সাহিত্য-সাংস্কৃতিক কর্মীরা সবাইকে ঈদের আনন্দ দেয়ার জন্য রচনা-নির্মাণ করেন বিশেষ সাহিত্য ও নতুন নতুন বিনোদন কর্মসূচি। দর্জি-দোকানিরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে চেষ্টা করেন গ্রাহককে ঈদের আনন্দ দেয়ার। প্রিয়জনের সাথে ঈদ করার জন্য যাত্রীদের সম্ভব সব রকম সহযোগিতা করে থাকেন পরিবহন শ্রমিকরা। কৃষকেরা আপ্রাণ পরিশ্রম করেন ঈদের সুস্বাদু ও উপাদেয় খাবার সরবরাহের জন্য। আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিত কর্মীরা জনগণের ঈদের আনন্দ নিশ্চিত করতে বিকিয়ে দেন নিজেদের ঈদ আনন্দ। এভাবে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ পরস্পরকে ঈদের আনন্দ দেয়ার জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করেন। ঈদ মুসলমানদের আনন্দ উৎসব হলেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশে এ উৎসবে অন্য ধর্মাবলম্বীরাও অংশ নিয়ে থাকেন। হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের লোকেরা ঈদ উৎসবে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এতে পাস্পরিক সহানুভূতি, জাতীয় ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ব সুদৃঢ় হয়।
সুস্থ বিনোদন ও আনন্দ উপভোগ ঈদ উৎসবের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ। ঈদের দিনে ছোট-বড়, নারী-পুরুষ সব মুসলমানই আনন্দ ও হাসিÑখুশিতে মেতে উঠে। শিশু-কিশোর, আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা সাধ্যমতো রঙ-রেরঙের নতুন পোষাক পরে ঈদের আনন্দ উপভোগ করে। তারা অতীত দিনের দুঃখ-যাতনা ভুলে ভবিষ্যতের সুখ-সমৃদ্ধময় জীবন গড়ে তোলাার স্বপ্ন দেখেন। সুস্থ-সুন্দর-কল্যাণকর বিনোদন ইসলামে অনুমোদন আছে। হাদিসে বর্ণিত আছে, “এক ঈদের দিনে হজরত আয়েশা বা:- এর ঘরে দুইজন বালিকা দফ্ (এক দিকের মুখ খোলা বিশেষ ধরনের বাদ্যযন্ত্র) বাজিয়ে গান গাইতেছিল আর রাসূল সা. চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়েছিলেন। এমন সময় হজরত আবু বকর রা. ওই ঘরে প্রবেশ করে ধমকের সুরে বললেন, ‘আল্লাহর বাসূলের ঘরে শয়তানের ধ্বনি!’ তখন রাসূল সা. মুখের উপর থেকে চাদর সরিয়ে বললেন, আবু বকর! ওদের গাইতে দাও। তুমি কি জান না আজ ঈদের দিন।” তবে সম্প্রতি কিছু লোক বিনোদনের নামে অশ্লীল ও ক্ষতিকর অপসংস্কৃতি আমদানি করে পবিত্র ঈদের ভাবমর্যাদাকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করছে।


ঈদ উৎসবের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাপক। পোশাক, জুতা, প্রসাধনী, পরিবহনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঈদের সময় ক্রয়-বিক্রয় ও লেনদেন বেশি হয়। এতে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি চাঙ্গা হয়। বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে ঈদের গুরুত্ব কম নয় । ঈদ উপলক্ষে অনেক চলচ্চিত্র, নাটক নির্মিত হয় এবং গানের ক্যাসেট-সিডি বের করা হয়। সরকারি-বেসরকারি টিভি চ্যানেল-রেডিও ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক পত্রিকাগুলোও ঈদ উপলক্ষে বিশেষ সংখ্যা ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে। গ্রামে গঞ্জে হা-ডু-ডু, ফুটবল, ক্রিকেট, সাঁতার, নৌকা বাইচ ইত্যাদি খেলার আয়োজন করা হয় ঈদ উপলক্ষে। সাম্প্রতিককালে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান ঈদের প্রীতি ও আনন্দকে বাড়িয়ে দিয়েছে।
প্রকৃতপক্ষে ঈদ ইসলামি আদর্শ ও নৈতিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত একটি জাতীয় উৎসব। আনন্দ উৎসবের মাধ্যমে মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ এর উদ্দেশ্য। তাই বিশ্ব সভ্যতায় ঈদ উৎসব অনন্য। মানুষে মানুষে ভেদাভেদ দূর করে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল-ন্যায়ভিত্তিক সাম্য প্রতিষ্ঠার জন্যই ইসলামের আর্বিভাব। সাদা-কালো, উঁচু-নিচু ভেদাভেদ নাই ইসলামে। বিশ্বের সব মুসলমান মনে-প্রাণে, কাজে-কর্মে, আচার-আচারণে ভেদাভেদ ভুলে যান পবিত্র ঈদের দিনে। তাই এ দিনে ইসলামি সমাজের প্রকৃত রূপ পরিলক্ষিত হয়ে থাকে। আর মুসলমানের ‘প্রতিটি দিন হোক ঈদের দিন’ আমাদের এ প্রত্যাশা সবার কাছে।

১৩০৯

কোন তথ্যসূত্র নেই

আপনার জন্য প্রস্তাবিত

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

To preach and propagate the values and ideals of Islam, the only complete code of life acceptable to the Almighty Allah, in its right perspective as a religion of humanity, tolerance and universal brotherhood and bring the majority people of Bangladesh under the banner of Islam

অফিসিয়াল ঠিকানা: অফিসিয়াল ঠিকানা : ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, আগারগাঁও, শের-এ- বাংলা নগর, ঢাকা -১২০৭