সংবাদ :
জাতীয় : জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত- বাংলাদেশের আকাশে আজ পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ১০ জুলাই রবিবার সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে ইসলামিক বিশ্ব : আরাফাতে খুতবা দিবেন শায়খ ড. মুহাম্মাদ আবদুল করীম , হজের খুতবা সরাসরি সম্প্রচার হবে বাংলাসহ ১৪ ভাষায় আন্তর্জাতিক : আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় ৩য় স্থান অর্জনকারী সালেহ আহমদ তাকরিমকে সংবর্ধনা প্রদান করল ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন

  • টেক্সট সাইজ
  • A
  • A
  • A
  • |
  • রং
  • C
  • A
  • A
  • A

আঙুলের নিচ থেকে পানির ফোয়ারা!
প্রিন্ট
প্রকাশঃ : বৃহস্পতিবার ২৪/০১/২০১৯

পাহাড় থেকে ঝরনা গড়িয়ে পড়ে। পাথর থেকে পানি বের হয়; মানুষের শরীর থেকে যেমন ঘাম ঝরে, পাথর ঘেমে ঘেমে ওভাবে পানি বের হয়। আসলে এটা আল্লাহর কুদরত। আল্লাহর কুদরতে পাথর থেকে পানি বের হয়। পাহাড় থেকে ঝরনা প্রবাহিত হয়। আজ আমি তোমাদের একটি কাহিনী শোনাব- আল্লাহর কুদরতে কীভাবে আঙুলের নিচ থেকে পানি বের হল। আমাদের নবীজীর কাহিনী। চল শোনা যাক- হযরত আনাস রা. বলেন, একবার আমরা নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। আমরা মদীনার অদূরে ‘ঝাওরা’ নামক স্থানে ছিলাম। আসরের নামাযের সময় হল। মানুষ ওজুর জন্য পানি খুঁজতে লাগল। কোথাও পানি পাওয়া গেল না। নবীজীকে বিষয়টি জানানো হল। তাদের কাছে সামান্য কিছু পানি ছিল। নবীজী বললেন, একটি পাত্রে পানিটুকু নিয়ে আসো। একটি পাত্রে করে নবীজীর কাছে সামান্য পানি আনা হল। নবীজী তাতে হাত রাখলেন (অমনি পাত্রের পানি বৃদ্ধি পেতে লাগল।) এবং সাথীদেরকে এখান থেকে পানি নিয়ে ওজু করতে বললেন। আনাস রা. বলেন- فَرَأَيْتُ الْمَاءَ يَنْبُعُ مِنْ تَحْتِ أَصَابِعِهِ، فَتَوَضّأَ النّاسُ حَتّى تَوَضّئُوا مِنْ عِنْدِ آخِرِهِمْ. আমি দেখলাম, নবীজীর হাতের আঙুলের নিচ থেকে পানি উঠছে। কাফেলার সকলেই এ পানি দিয়ে ওযু করল। আনাস রা.-কে জিজ্ঞেস করা হল, সেদিন আপনারা কতজন ছিলেন? তিনি বললেন, তিন শ’র মত। (দ্র. সহীহ মুসলিম, হাদীস ২২৭৯) যাইহোক, সামান্য একটু পানিতে এত বরকত হল যে, সে পানি দিয়ে এত মানুষ ওযু করল। এমনই আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল হুদায়বিয়ার সন্ধির সময়। সে সময়ও নবীজীর হাতের বরকতে একটি পাত্রের সামান্য পানি থেকে ঝরনার মত এত পানি নির্গত হয়েছিল যে, সেখান থেকে চৌদ্দ-পনের শ মানুষ পান করেছিল, ওযু করেছিল। ওই ঘটনার বর্ণনাকারী জাবির রা., যিনি নিজ চোখে তা দেখেছেন- তাঁকে জিজ্ঞেস করা হল- আপনারা সেদিন কতজন ছিলেন? তিনি উত্তরে বললেন- لَوْ كُنّا مِائَةَ أَلْفٍ لَكَفَانَا، كُنّا خَمْسَ عَشْرَةَ مِائَةً. সেদিন (নবীজীর হাতের বরকতে এত পানি প্রবাহিত হয়েছিল যে,) যদি আমরা এক লক্ষ মানুষও হতাম তাহলেও ওই পানি আমাদের জন্য যথেষ্ট হত। সেদিন আমরা সংখ্যায় পনের শ ছিলাম। (দ্র. সহীহ বুখারী, হাদীস ৩৫৭৬; সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৮৫৬) দেখ, নবীজীর মুজেযা দেখে সাহাবীর ঈমান কী পরিমাণ মজবুত হয়েছিল। তিনি বলছিলেন, সে পানি দিয়ে তো আমরা চৌদ্দ-পনের শ মানুষ পান করেছিলাম, ওযু করেছিলাম। এক লক্ষ মানুষ হলেও ওই পানি থেকে প্রয়োজন পুরা করতে পারত। কারণ, এ পানি তো নবীজীর হাতের বরকতে আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছিল। এটি ছিল আল্লাহর কুদরত। আর আল্লাহর কুদরতের কাছে এমন কিছুই অসম্ভব নয়।

১৪২৬

কোন তথ্যসূত্র নেই

আপনার জন্য প্রস্তাবিত

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

To preach and propagate the values and ideals of Islam, the only complete code of life acceptable to the Almighty Allah, in its right perspective as a religion of humanity, tolerance and universal brotherhood and bring the majority people of Bangladesh under the banner of Islam

অফিসিয়াল ঠিকানা: অফিসিয়াল ঠিকানা : ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, আগারগাঁও, শের-এ- বাংলা নগর, ঢাকা -১২০৭